আমেরিকা

আমেরিকা

ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ করলেন মিস সুইজারল্যান্ড

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশ: ২৭ অক্টোবর ২০২৬ ০২:০৩ | ৪৩

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ১৯৯৩ সালে নিউইয়র্কের প্লাজা হোটেলে তাকে ‘নিষ্ঠুরভাবে’ ধর্ষণের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুলেছেন সাবেক মিস সুইজারল্যান্ড বিয়াট্রিস কেউল।

মার্কিন কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদের জুডিশিয়ারি কমিটির ডেমোক্র্যাট সদস্যদের প্রকাশিত এক নতুন প্রতিবেদনে এই অভিযোগের বিবরণ উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৯৯৩ সালের নভেম্বর মাসে জিল হার্ট নামক এক ব্যক্তির মাধ্যমে বিয়াট্রিস কেউলকে আটলান্টিক সিটি ও নিউইয়র্কে আয়োজিত ‘আমেরিকান ড্রিম পেজেন্ট’-এ অংশ নেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়। সে সময় তিনি একজন তরুণ সুইস মডেল এবং আর্থিক সেবাদাতা পেশার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ট্রাম্পের মালিকানাধীন প্লাজা হোটেলে একটি সংবাদ সম্মেলনের সময় ট্রাম্প নিজেই বিয়াট্রিসের কাছে এসে পরিচয় দেন এবং বলেন, ‘অবশেষে মিস কেউলের সঙ্গে আমাদের দেখা হলো।’ পরবর্তীতে ট্রাম্পের এক প্রতিনিধি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাতের কথা বলে তাকে হোটেলের একটি ওপরের তলার স্যুটে নিয়ে যান। পেশাগত ও শিক্ষাগত ভবিষ্যৎ উন্নতির কথা ভেবে তিনি সেই প্রতিনিধির সঙ্গে যান।

বিয়াট্রিস অভিযোগ করেন, স্যুটে প্রবেশ করার সঙ্গে সঙ্গেই ট্রাম্প পেছন থেকে তাকে শক্ত করে ধরে ধর্ষণ করেন। এমনকি এ সময় তার পোশাক ছিঁড়ে ফেলা হয় এবং তিনি ক্ষতবিক্ষত ও রক্তাক্ত হন। তিনি এই হামলাকে ‘নিষ্ঠুর’ বলে বর্ণনা করেন। ঘটনার পর ট্রাম্প তাকে ভিসা ও নিউইয়র্ক ইউনিভার্সিটিতে ভর্তির ব্যবস্থা করার প্রস্তাব দেন এবং এ বিষয়ে মুখ না খোলার জন্য হুমকি দেন।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ঘটনার পর জেফ্রি এপস্টেইন এসে বিয়াট্রিসকে বলেন, ‘আমি জেফ্রি, ডনের সেরা বন্ধু।’ এপস্টেইন তাকে মার-এ-লাগো এস্টেটে একটি পার্টিতে আমন্ত্রণ জানান এবং বলেন, ‘তুমি জানো আমি তোমার যত্ন নিতে পারি। ডনের সঙ্গে আমরা অনেক পার্টির আয়োজন করি।’

এদিকে হোয়াইট হাউস বিয়াট্রিস কেউলের এই অভিযোগ জোরালোভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র লরেন বিস বলেন, ‘এই অভিযোগগুলোর কোনোটিই সত্য নয়।’ তিনি দাবি করেন যে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা ও ঐতিহাসিক অর্জনগুলো থেকে আমেরিকানদের মনোযোগ সরাতে মরিয়া ডেমোক্র্যাটদের এটি একটি রাজনৈতিক চাল মাত্র। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

আমেরিকা থেকে আরো পড়ুন

Mahfuzur Rahman

Editor & Publisher