আমার জন্মের পর এটি তৃতীয় ফুটবল বিশ্বকাপ। ২০১৮ সালের বিশ্বকাপের কথা তেমন মনে নেই, কারণ তখন আমি অনেক ছোট ছিলাম।
তবে ২০২২ সালের বিশ্বকাপের কথা বেশ মনে আছে। সে বছর ফুটবলবিশ্বের মহানায়কের হাতে উঠেছিল বিশ্বকাপের শিরোপা। সেই আনন্দে পৃথিবীর কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমীর সঙ্গে আমিও নেচেছিলাম আনন্দে।
ছোটবেলা থেকে দেখেছি আমার মা-বাবা জার্মানির সমর্থক।
তাই না বুঝেই আমিও জার্মানিকে সমর্থন করতাম। কিন্তু এবার আমি নিজের পছন্দের দল খুঁজে পেয়েছি। আমার প্রিয় দল পর্তুগাল। কারণ এই দলে খেলেন বিশ্বের সেরা কয়েকজন ফুটবলার।
তাঁদের মধ্যে আমার সবচেয়ে প্রিয় খেলোয়াড় ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো। গোল করার পর তাঁর বিখ্যাত উদযাপন আমাকে ভীষণ আনন্দ দেয়। আমিও যখন কোনো কাজ করে সফল হই বা খুব খুশি হই, তখন তাঁর মতো করেই উদযাপন করার চেষ্টা করি। এবার আমি খুব করে চাইছি বিশ্বকাপের শিরোপা পর্তুগালের হাতেই উঠুক। এমনকি আমি স্বপ্নেও দেখেছি যে আমার প্রিয় খেলোয়াড় ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড় হয়েছেন।
সেই স্বপ্ন সত্যি হলে আমার আনন্দের সীমা থাকবে না। পর্তুগাল চ্যাম্পিয়ন হলে রোনালদোর মতো উদযাপন করব। তবে একটি সমস্যা আছে। এখন আমার পরীক্ষা চলছে, আর বিশ্বকাপের অনেক খেলা হয় গভীর রাতে। মা-বাবা সাধারণত শুধু তাঁদের পছন্দের দলের খেলা দেখতে ভালোবাসেন। কিন্তু আমার সব দলের খেলাই দেখতে ভালো লাগে। আমি মনে করি, প্রতিটি দলের খেলা থেকে নতুন কিছু শেখার আছে। যেমন—গতকালও যুক্তরাষ্ট্র-প্যারাগুয়ের মধ্যকার দারুণ ম্যাচ উপভোগ করেছি। খেলার উত্তেজনা, খেলোয়াড়দের দক্ষতা এবং দর্শকদের উচ্ছ্বাস আমাকে খুব আনন্দ দেয়।
তবে আমি জানি, পড়াশোনাও খুব গুরুত্বপূর্ণ। তাই চেষ্টা করছি পরীক্ষার প্রস্তুতি ঠিক রেখে যতটুকু সম্ভব বিশ্বকাপের আনন্দ উপভোগ করতে। আমি বিশ্বাস করি, ভালো ফলাফল করার পাশাপাশি প্রিয় খেলা উপভোগ করাও সম্ভব, যদি সময়কে সুন্দরভাবে ভাগ করে নেওয়া যায়।
ফুটবল আমাকে আনন্দ দেয়, স্বপ্ন দেখায় এবং একসঙ্গে পৃথিবীর নানা দেশের মানুষকে ভালোবাসতে শেখায়। তাই বিশ্বকাপ এলেই আমার মন আনন্দে ভরে ওঠে।
সাহিত্য থেকে আরো পড়ুন
Mahfuzur Rahman
Editor & Publisher