আমেরিকা

আমেরিকা

মায়ামির কাছে হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত: নিহত ১

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশ: ০৪ নভেম্বর ২০২৬ ২৩:২৮ | ২৯

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামির কাছে বিস্কেইন উপসাগরে একটি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে একজন নিহত এবং অন্য দুজন গুরুতর আহত হয়েছেন।

বুধবার (৪ নভেম্বর) কর্মকর্তারা দুর্ঘটনার কথা জানিয়েছেন।

মায়ামি-ডেড শেরিফ অফিস জানিয়েছে, রবিনসন আর-৪৪ টু মডেলের হেলিকপ্টারটি বুধবার শেষ সকালে কি বিস্কেইনের কাছে বিল ব্যাগস স্টেট পার্কের পাশে দুর্ঘটনায় পড়ে। পানিতে থাকা নৌকার দৃশ্য ধারণের কাজে নিয়োজিত থাকা অবস্থায় এটি বিধ্বস্ত হয়।

এক বিকেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শেরিফ রোজি কর্ডেরো-স্টাটজ জানান, বেঁচে যাওয়া দুজনকে সংকটাপন্ন তবে আশঙ্কামুক্ত অবস্থায় পার্শ্ববর্তী একটি ট্রমা সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে।

দুর্ঘটনার পর স্থানীয় একাধিক উদ্ধারকারী সংস্থা, মার্কিন কোস্ট গার্ড এবং ইউএস কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশন যৌথভাবে উদ্ধার অভিযানে অংশ নেয়।

শেরিফ কর্ডেরো-স্টাটজ জানান, মেরিন পেট্রোল ইউনিট দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর দেখতে পায় এক ব্যক্তি আক্রান্তদের একজনকে উদ্ধার করে তীরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। মায়ামি ফায়ার সার্ভিসকর্মীরা তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত তিনি মারা যান।

অন্যদিকে, বর্ডার প্রোটেকশন অফিসাররা হেলিকপ্টারে থাকা অন্য দুই পুরুষকে উদ্ধার করে মায়ামি-ডেড উদ্ধারকারীদের কাছে হস্তান্তর করেন, যারা তাদের দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান।

কর্ডেরো-স্টাটজ বলেন, ‘দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ এখনো তদন্তাধীন। দক্ষিণ ফ্লোরিডায় গত কয়েকদিন ধরে ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছিল, তবে আবহাওয়ার কারণেই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে কি না তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।’

টেলিভিশন সংবাদের ফুটেজে দেখা যায়, উড়োজাহাজটি উল্টো অবস্থায় পানির নিচে ডুবে রয়েছে এবং এর ল্যান্ডিং স্কিডের নিচে দুটি হলুদ রঙের ফ্লোট যুক্ত রয়েছে। এই জরুরি ফ্লোটগুলো পানির ওপর হেলিকপ্টার ভাসিয়ে রাখতে সাহায্য করার জন্য তৈরি করা হয়।

কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে নিহত বা আহতদের পরিচয় প্রকাশ করেনি। শেরিফ জানান, তারা স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করছেন।

এর আগে, গত রবিবার ফ্লোরিডার ওয়েস্ট পাম বিচের কাছে ৯ জন আরোহী নিয়ে একটি লিয়ারজেট বিমান প্রচণ্ড শক্তিতে মাটিতে আছড়ে পড়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয় এবং তাতে থাকা ৯ জনেরই মৃত্যু হয়। ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ড সেই দুর্ঘটনারও তদন্ত করছে। সূত্র: এনডিটিভি

আমেরিকা থেকে আরো পড়ুন

Mahfuzur Rahman

Editor & Publisher