আমেরিকা
মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচন: প্রতিনিধি পরিষদে এগিয়ে ডেমোক্র্যাটরা
প্রকাশ: ০৪ নভেম্বর ২০২৬ ০০:৫০ | ৫৬
ছবি: সংগৃহীত
মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটরা মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পথে রয়েছে। পাশাপাশি সাউথ ক্যারোলিনা ও নর্থ ক্যারোলিনায় রিপাবলিকানদের আসন ছিনিয়ে নিয়ে তারা সিনেটের সংখ্যাগরিষ্ঠতার আরও কাছাকাছি পৌঁছে গেছে।
প্রাথমিক এই ফলাফলগুলো প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার দুই বছরের মেয়াদে পাশে থাকা রিপাবলিকান নিয়ন্ত্রিত কংগ্রেসের জন্য এক বিরাট ধাক্কা বলে মনে করা হচ্ছে।
শিশু বিশেষজ্ঞ ডক্টর অ্যানি অ্যান্ড্রুস সাউথ ক্যারোলিনায় ট্রাম্প মনোনীত প্রার্থী ডারলিন গ্রাহামকে পরাজিত করে ১৯৯৮ সালের পর প্রথম ডেমোক্র্যাট হিসেবে সিনেট আসনটি জয় করে নিয়েছেন।
রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসি গ্রাহামের মৃত্যুর পর তার বোন ডারলিন গ্রাহামকে ওই পদে নিয়োগ দেওয়া হয় এবং ট্রাম্প তাকে পূর্ণাঙ্গ মেয়াদের জন্য লড়তে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন। তবে রাজনীতিতে তার অভিজ্ঞতাহীনতা দলের পরাজয়ের মূল কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অ্যানি অ্যান্ড্রুসের এই ঐতিহাসিক জয় এবং নর্থ ক্যারোলিনায় রয় কুপারের জয়ের ফলে সিনেটের নিয়ন্ত্রণ নিতে ডেমোক্র্যাটদের প্রয়োজনীয় ৪টি নতুন আসনের মধ্যে ২টি নিশ্চিত হয়ে গেল।
জর্জিয়া থেকে পুনর্নির্বাচিত ডেমোক্র্যাটিক সিনেটর জন অসফ এক বিজয় সমাবেশে বলেন, আমেরিকান জনগণ একজোট হয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের দুর্নীতি ও অক্ষমতাকে প্রত্যাখ্যান করেছে।
জাতীয় জরিপ অনুযায়ী, ৫০ শতাংশ ভোটার এই নির্বাচনকে প্রেসিডেন্টের প্রতি অসন্তোষ প্রকাশের সুযোগ হিসেবে দেখেছেন। ভোটারদের একটি বড় অংশ জ্বালানি তেলের উচ্চমূল্য, জীবনযাত্রার আকাশচুম্বী ব্যয় এবং ইরান যুদ্ধের কারণে ট্রাম্পের ওপর ক্ষুব্ধ। ৭০ শতাংশ ভোটার চান কংগ্রেস যেন প্রেসিডেন্টের একক ক্ষমতার ওপর কিছুটা লাগাম টানে।
৪৩৫ সদস্যের প্রতিনিধি পরিষদে নিয়ন্ত্রণ পেতে ডেমোক্র্যাটদের কেবল অল্প কয়েকটি আসনে জয়ের প্রয়োজন ছিল। ইতোমধ্যে তারা রিপাবলিকানদের থেকে গুরুত্বপূর্ণ কিছু আসন ছিনিয়ে নিয়েছে এবং সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের খুব কাছাকাছি অবস্থান করছে।
ট্রাম্পের সম্ভাব্য পরাজয় মেনে না নেওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন ডেমোক্র্যাটরা। নির্বাচনে বিচার বিভাগ ৫০টি অঙ্গরাজ্যে ১ হাজরটি কেন্দ্র পর্যবেক্ষণ দল পাঠিয়েছে, যা মার্কিন ইতিহাসে বৃহত্তম পর্যবেক্ষণ উদ্যোগ। তবে ডেমোক্র্যাটরা অভিযোগ তুলেছে যে এটি ভোটারদের ভয় দেখানোর জন্য ট্রাম্প প্রশাসনের একটি অপচেষ্টা হতে পারে। সূত্র: রয়টার্স
আমেরিকা থেকে আরো পড়ুন
Mahfuzur Rahman
Editor & Publisher