সেঞ্চুরিশূন্য ইংল্যান্ড-পাকিস্তান সিরিজে বিশ্বরেকর্ড
প্রকাশ: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০২:৩৮ | ১৮
ঘটনাবহুল টেস্ট সিরিজে পাকিস্তানকে ধবলধোলাই (৩-০) করেছে ইংল্যান্ড। বাবর আজমের দল ৬ ইনিংসের মাঝে কেবল একটিতে ব্যাটিংয়ে প্রাণ খুঁজে পেয়েছে। পুরোটা জুড়ে স্বাগতিক ইংল্যান্ড ছিল ছন্দময়। তাদের দাপুটে জয়ে ব্যাট-বল উভয় বিভাগ যেমন সক্রিয় ছিল, তেমনি পাকিস্তানের ব্যাটিং ধসও ছিল স্পষ্ট। ৩ ম্যাচের এই টেস্ট সিরিজে হয়েছে সেঞ্চুরিহীন সর্বোচ্চ রানের বিশ্বরেকর্ড।
১২ ইনিংসে ২০ ব্যাটারের হাফসেঞ্চুরিতে হয়েছে ২৪৬০ রান। যা তিন ম্যাচ সিরিজে কোনো সেঞ্চুরি ছাড়াই সর্বোচ্চ রান। এর আগে ১৯৯৩ সালে পাকিস্তান-জিম্বাবুয়ে সিরিজের দখলে ছিল ওই রেকর্ড। উভয় দলের ব্যাটাররা ১৮ হাফসেঞ্চুরিতে সেবার ২২১৩ করেছিল। সদ্য সমাপ্ত সিরিজে পাকিস্তান-ইংল্যান্ডের বেশ কয়েকজন ব্যাটার আউট হয়েছিলেন নার্ভাস নাইন্টিতে।
যদিও সবমিলিয়ে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজে কোনো সেঞ্চুরি না হওয়ার এই ঘটনা অষ্টম। আর এর আগে ইংল্যান্ডের মাটিতে এমন ঘটনা মাত্র একবার ঘটেছিল। দেশটিতে হওয়া ১৮৮৮ অ্যাশেজের তিন ম্যাচে কোনো ব্যাটার সেঞ্চুরি পাননি। তবে সেঞ্চুরি-শূন্য সর্বোচ্চ রানের দিক থেকে টেস্ট ইতিহাসেই জায়গা করে নিলো সদ্য সমাপ্ত পাকিস্তান-ইংল্যান্ড সিরিজ।
যথাক্রমে হেডিংলি, লর্ডস ও এজবাস্টনে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় ম্যাচেই হয়েছে সর্বোচ্চ রান। দুই দল একবার করে চারশ পেরোনোর পর চার ইনিংসে সর্বমোট রান ওঠে ১১৬৫। যদিও ইংল্যান্ড ১২৯ রানের লক্ষ্য তাড়ায় ৮ উইকেটের বড় জয় না পেলে সংখ্যাটা বাড়তে পারত। এজবাস্টন টেস্টে দুই দলের ব্যাটাররা ১১টি হাফসেঞ্চুরি (ইংল্যান্ড ৭ ও পাকিস্তানের ৪) করেছেন। অর্থাৎ, আগের দুটি ম্যাচের (৯) চেয়ে শেষ টেস্টেই ফিফটি বেশি হয়েছে।
এ সিরিজে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রান করেন ধবলধোলাই হওয়া পাকিস্তানের মিডল অর্ডার ব্যাটার সৌদ শাকিল, লর্ডস টেস্টে তার ব্যাটে আসে ৯৭ রান। সেঞ্চুরির কাছাকাছি গিয়ে আউট হয়েছেন দলটির সাবেক অধিনায়ক শান মাসুদও (৯৫)। আর হেডিংলি টেস্টে ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক ৯১ রানে আক্ষেপ নিয়ে ফিরেছিলেন।
২০২২-২৩ মৌসুমের পর তিন ম্যাচ সিরিজে এ নিয়ে দ্বিতীয়বার ইংলিশদের কাছে হোয়াইটওয়াশ হলো পাকিস্তান। সবমিলিয়ে ইংলিশরা তিন টেস্টের ১৫টি সিরিজে প্রতিপক্ষকে ধবলধোলাই করেছে। আর পাকিস্তান ১১ বার একই ব্যবধানে বিব্রতকর হার দেখেছে।
খেলাধুলা থেকে আরো পড়ুন
Mahfuzur Rahman
Editor & Publisher