কানাডা
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ কানাডার বিরুদ্ধে
প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬ ০১:২৭ | ৮৬
ছবি: সংগৃহীত
আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে কানাডার বিরুদ্ধে।রাজনৈতিক খবর পড়ুন
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক নীতির বিরুদ্ধে কানাডার নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ, রাজনৈতিক বৈঠক এবং বিজ্ঞাপন প্রচারণাকে এই ‘নির্বাচনী হস্তক্ষেপে’র প্রমাণ হিসেবে দাবি করছে ওয়াশিংটন।
বুধবার (২১ অক্টোবর) যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস অভিযোগ করেছে যে, কানাডা মার্কিন নির্বাচনে হস্তক্ষেপের আশঙ্কার বিষয়টি এড়িয়ে যাচ্ছে। অথচ তাদের মন্ত্রী ও প্রিমিয়েরা (প্রদেশ প্রধান) জনসম্মুখে এবং সরকারি নথিতে মার্কিন রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তারের পরিকল্পনার কথা খোলাখুলিভাবেই স্বীকার করছেন।
মূলত ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকেই দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য যুদ্ধ শুরু হয় এবং আমেরিকার শুল্কের জবাবে কানাডাও পালটা আমদানি শুল্ক আরোপ করে। তবে ওয়াশিংটনের দাবি, এসব শুল্ক নীতির বিরুদ্ধে কানাডার জনসমর্থন তৈরির প্রচেষ্টা মূলত আসন্ন ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনকে প্রভাবিত করারই একটি অংশ।
অভিযোগের তালিকায় কানাডার শিল্পমন্ত্রী মেলানি জোলির নামও রয়েছে। মার্কিন দূতাবাস জানিয়েছে, গত আগস্টে জোলি শুল্কের প্রতিবাদে মার্কিন অঙ্গরাজ্যগুলোকে লক্ষ্য করে রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি করার যে কথা বলেছিলেন এবং সেপ্টেম্বরে বস্টন ও শিকাগোতে ডেমোক্রেটিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে যে বৈঠক করেছিলেন, তা এই হস্তক্ষেপের প্রমাণ।রাজনৈতিক খবর পড়ুন
তবে মেলানি জোলি এই অভিযোগ দৃঢ়ভাবে নাকচ করে জানিয়েছেন যে, কানাডা কখনোই মার্কিন নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করবে না এবং তার যুক্তরাষ্ট্র সফর ও বৈঠকগুলোর মূল উদ্দেশ্য ছিল দেশটির সাথে অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করা ও বিনিয়োগ আকর্ষণ করা। এ ছাড়া অন্টারিওর প্রিমিয়ের ডগ ফোর্ডের পাল্টা শুল্ক আরোপের দাবি এবং শুল্কবিরোধী বিজ্ঞাপন প্রচারাভিযান নিয়েও আপত্তি তুলেছে ওয়াশিংটন।
বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে মিত্র দেশ হলেও ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে দূরত্ব ও উত্তেজনা দিন দিন বেড়েই চলেছে। সূত্র: আল-জাজিরা
কানাডা থেকে আরো পড়ুন
Mahfuzur Rahman
Editor & Publisher